ইংল্যান্ডের মুদ্রায় জগদীশ চন্দ্র বসুর ছবি

ইংল্যান্ডের মুদ্রায় জগদীশ চন্দ্র বসুর ছবি

খবরাখবর ডেস্ক

বাংলাদেশী বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসুই বিশ্ববাসীকে প্রথমবারের মত জানিয়েছিলেন উদ্ভিদের প্রাণ আছে। এরজন্য তিনি আবিষ্কার করেন ‘ক্রেসকোগ্রাফ’ নামক একটি যন্ত্র। যার মাধ্যমে উদ্ভিদদেহের স্পন্দনকে আচ করা যায়।জগদীশ্চন্দ্র বসুর সম্মানে এবার ইংল্যান্ড সরকার তার ছবিযুক্ত মুদ্রা প্রচলিত করতে যাচ্ছে। ৫০ পাউন্ডের এ মুদ্রা নতুন বছরেই বাজারে আসবে বলেও জানিয়েছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড

বিজ্ঞানী ছিলেন আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু পলিম্যাথ, বায়োলজিস্ট, বায়োফিজিস্ট, বোটানিস্ট ও অর্কিওলজিস্টও। এছাড়া কৃষি বিজ্ঞানেও তার অনেক অবদান আছে। মুন্সীগঞ্জে ১৮৫৮ সালের ৩০ নভেম্বর জগদীশ চন্দ্র বসুর জন্ম। পিতা ভগবান চন্দ্র বসু ছিলেন তৎকালীন ব্রাহ্ম সমাজের একজন বিশিষ্ট সদস্য। চাকরি করতেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের এবং একই সঙ্গে ছিলেন ফরিদপুর, ভারতের বর্ধমানসহ কয়েকটি এলাকার সহকারী কমিশনার হিসেবে।

জগদীশ চন্দ্র তার নিজের করা গবেষণা বা আবিষ্কারের জন্য জীবদ্দশায় কোনো পেটেন্ট গ্রহণ করেননি, কিন্তু বর্তমান বিজ্ঞানী সমাজ রেডিও তরঙ্গের ক্ষেত্রে তার অবদান স্বীকার করেন অম্লানবদনে। তাকে আখ্যা দেয়া হয় বেতার যোগাযোগের জনক হিসেবে। মিলিমিটার তরঙ্গ আবিষ্কার করে তিনি বেতার যোগাযোগের ক্ষেত্রে একজন অগ্রপথিক হিসেবে আজ গণ্য হন।