শুয়োপোকা : অন্যের রুপ ধারণ করা যার নেশা

জীব ও বৈচিত্র ডেস্ক:

জন্মলগ্ন থেকেই প্রত্যেকটি প্রাণীর নিজস্ব অবয়ব থাকে। প্রত্যেকেই তারা অন্যজনের চেয়ে আলাদা রকমের হয়।তবে পৃথিবীতে এমন কিছু প্রাণী রয়েছে, যারা মুহুর্তেই অন্যের রুপ ধারন করতে পারে।প্রাণীদের এই আচারণকে বলাহয় মিমিকরি।এই রুপ বদলের নেপথ্য কারণ হিসেবে কখনো থাকে আত্মরক্ষা। কখনো বা শ্রেফ সঙ্গীকে আকৃষ্ট করা।আবার কোন কোন প্রাণীর নেশা হিসেবে পরিণিত হয় এই রুপ বদল।

বাজপাখি মথ শুয়োপোকা (Hawk Moth Caterpillar) তাদের মধ্যে অন্যতম। বাজপাখি মথের লার্ভা যেকোন মুহুর্তে পিট ভাইপারের রূপ ধারণ করে নিজেকে শিকারীর হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।

বিস্ময়কর এই প্রাণী যখনি বিপদের লক্ষণ আচ করতে পারে তখনি তারা পা ভিতরে ঢুকিয়ে সামনের অংশ বৃদ্ধি করে নিরীহ শুযোপোকা থেকে ভীতিকর সাপ হয়ে যায়।

যদিও তাদের এই চতুরতা খুব বেশি সময়ের জন্য থাকে না। ৩০ দিনের শুয়াপোকা জীবনে শুধুমাত্র খোলস পরিবর্তনের সময় কিছুদিনের জন্য এই সাপের রূপ ধারণ করার ক্ষমতা পায়। এদের কোস্টারিকা এবং গুয়েতেমালার রেইনফরেস্টে পাওয়া যায় যেখানে তাদের গায়ের সবুজ এবং বাদামী রঙ বনের গাছ, লতাপাতার সাথে একদম মিশে থাকে। বাজপাখি মথ খুবই দূর্লভ।

এই সাপের মত রূপ নেয়ার ক্ষমতা তাদের পাখি এবং অন্যান্য শিকারীর হাত থেকে রক্ষা করে।