মাইগ্রেণের ব্যথা কমাতে করণীয়

যাপিত জীবন ডেস্ক:

মাইগ্রেনের ব্যথা কম বেশি সবারই আছে। এর ফলে পুরো মাথায় কিংবা বিশেষ অংশে ব্যথা হয়। মাথাব্যথার সঙ্গে বমি ভাব অথবা বমিও হতে পারে।তাই দরকার সচেতনতা। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, বেশ কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো শরীরে পুষ্টি চাহিদা মেটায় । পাশাপাশি মাইগ্রেনের ব্যথা প্রতিরোধে সাহায্য করে। কারণ মাথাব্যথার অন্যতম কারণ হলো শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি। আসুন জেনে নেই সেই খাবারগুলো সম্পর্কে-

অ্যাভোকাডো
পুষ্টিকর ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম অ্যাভোকাডো ফুল। এতে রয়েছে নানা ধরনের ঔষধি গুণ। অ্যাভোকাডো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। মাইগ্রেনের ব্যথা প্রতিরোধে নিয়মিত অ্যাভোকাডো খাওয়া ভালো।

ডুমুর
মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে ডুমুরও বেশ কাজে আসে। ডুমুরে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম আছে।

স্যামন মাছ
ওমেগা থ্রি, ফ্যাটি এসিড এবং ভিটামিন বি২ সমৃদ্ধ এ একটি মাছ স্যামন। এই মাসের এসব উপাদানগুলো রক্তের প্লেটলেট বাড়াতে সহায়তা করে। ঘন ঘন মাইগ্রেনের ব্যথা হওয়ার প্রবণতা থেকে অনেকটাই মুক্তি দেয়।

আলু
ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই আলু খাওয়া বাদ দেন। যদিও গবেষকরা বলছেন, ‘আলুতে আছে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি১ ও পটাশিয়াম।যার ফলে মাথাব্যথা শুরু হলে আলু দিয়ে তৈরি খাবার বেশ উপকারে আসে।

লেবু
ভিটামিন সি এর উৎকৃষ্ট উৎস হলো লেবুর রস। মাথাব্যথা হলে একগ্লাস পানিতে লেবুর রস ও সামান্য লবণ মিশিয়ে খেয়ে নিন। ধীরে ধীরে ব্যথা কমে যাবে।

তরমুজ ও গাজর
পানিশূন্যতা হলো মাথাব্যথার অন্যতম কারণ । তরমুজ ও গাজর এক্ষেত্রে খুবই কাজের। এই দুটি খাদ্য উপাদান শরীরকে আর্দ্র রাখে। ফলে মাথাব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

বাধাকপি
ওমেগা থ্রি ও ফাইবারে ভরপুর হলো বাধাকপি। এই দুটি উপাদান মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

দই
গবেষকদের মতে, রিবোফ্লাবিন মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। দইয়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে রিবোফ্লাবিন আছে। তাই নিয়মিত দই খেলে উপকার নিজেই বুঝতে পারবেন।

দারুচিনি
দারুচিনি গুঁড়া করে সামান্য পানি মিশিয়ে পেষ্ট বানিয়ে নিন। কপালে এই পেষ্ট লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মাথাব্যথা কমে যাবে।

তবে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, মাথাব্যথা মানেই মাইগ্রেন না। আপনার মাথাব্যথা মাইগ্রেনের জন্য হচ্ছে কি না, সেই ব্যাপারে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অন্তত আট ঘন্টা ঘুম নিশ্চিত করা, মানসিক চাপ কমানো ও দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকার প্রবণতা বাদ দিয়ে মাইগ্রেনের সমস্যা কমানো সম্ভব।