সাধারণের কাছে ফকির মজনু শাহ একজন অধ্যাত্মনেতা
সাধারণের কাছে ফকির মজনু শাহ একজন অধ্যাত্মনেতা

ফকির মজনু শাহ : ‌অধ্যাত্মনেতা থেকে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা

অলাত এহ্সান : সাধারণের কাছে ফকির মজনু শাহ একজন অধ্যাত্মনেতা, কিন্তু তত্কালীন ভারতবর্ষের শাসকদের নথিতে তিনি ‘ডাকাত’, ‘দস্যু’, ‘লুণ্ঠনকারী’, আরবের বেদুঈন গোত্রীয় সদা পরিভ্রাজক এবং অবশ্যই ব্রিটিশবিরোধী ফকির আন্দোলনের নেতা। অভিধার এ বিস্তর ফারাক কেন? তা নিহিত আছে ব্রিটিশ শাসনের সঙ্গে তার ফকিরি মতের বিরোধের ভেতর। এজন্য ফকিরি মত একটু বুঝে নেয়া দরকার।

বাহ্যিক অবস্থা দেখে আরবি ‘ফকির’ শব্দটিকে প্রায়ই আরেক আরবি শব্দ ‘মিসকিন’-এর সমার্থক করে তোলা হয়, কিন্তু অন্তর্গতভাবে তারা মোটেও এক নয়, বরং বিপরীত অর্থে ব্যবহার করা যায়। অর্থাভাব বা দারিদ্র্য বোঝাতে ‘মিসকিন’ ঠিক হলেও ‘ফকির’ অর্থে একেবারেই ঠিক নয়। বৈশ্বিক ‘মিসকিন’ শব্দের বিপরীতে ‘ফকির’ একটি আধ্যাত্ম মত। প্রকৃতিগতভাবেই ফকিরি মতের অনুসারীরা ধন-সম্পদের মোহে আচ্ছন্ন নন, মনের সমৃদ্ধি দিয়ে তারা অবলিলায় উপেক্ষা করেন বৈশ্বিক সব প্রলোভন। ‘মজনু’ বা ‘দিওয়ানা’ বরং আভিধানিকভাবে ফকির শব্দের খানিকটা কাছাকাছি। ‘মজনু’ বললেই পারস্য কবি নেযামী গাঞ্জাভীর ‘লায়লী-মজনুন’ কাব্যকাহিনী মনে আসে, সেখানে প্রেমিকা লায়লীর জন্য আত্মোৎসর্গিত প্রেমিক মজনুন। তবে ফকিরি আত্মোৎসর্গ কেবল তার গুরু, পীর, মুর্শিদ বা কখনো স্বয়ং স্রষ্ঠার জন্যই, যার সঙ্গে তার অপার্থিব প্রেম, ভক্তি, নিবেদন। এর মধ্যে ভোগ-বিলাসের সংযোগ নেই।

আত্মনিবেদনের ভেতর দিয়ে অপার্থিব হয়ে ওঠার জন্যই তারা দুনিয়ায় সম্পদের পরিমাণ যতটা সম্ভব কমিয়ে আনেন, সেই ধারা তাদের পোশাকেও লাগে। আপাত এ সাদৃশ্যে অনেকে তাদের দরিদ্রদের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। তারা যে তেমন নন, তা বোঝার জন্য ভারতীয় উপমহাদেশে ফকিরি দর্শনে আস্থাশীল শাসকদের কথা স্মরণ করলেই তা বোঝা যায়। এদের মধ্যে স্বয়ং মোগল সম্রাট শাহজাহানের মধ্যমপুত্র বিহার-উড়িষ্যার সুবেদার শাহ মুহাম্মদ শুজা আছেন। শাহজাদা দারাশুকোর নামও এতে করা যায়। তত্কালীন ভারতবর্ষে মুসলিম নবাব-বাদশাহদের দরবারে ফকির-দরবেশদের যে কদর, দেশজুড়ে স্বাধীনতা ছিল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকরা তা খর্ব করতে গিয়েই বিরোধ বাঁধে, যা মজনু শাহর সঙ্গেও ঘটেছে। ফকির-দরবেশদের সংস্পর্শে এসে তিনি হয়তো ফকিরই হতে চেয়ে ছিলেন, কিন্তু অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ‘দস্যুনেতা’ রূপে পরিচিত হতে হয়েছে। সে কাহিনী যেমন কৌতূহলোদ্দীপক, তেমনি মর্মান্তিক।

ব্রিটিশরা যেভাবেই উল্লেখ করুক, সাধারণের মধ্যে তাদের ভিত্তি ছিল

ব্রিটিশরা যেভাবেই উল্লেখ করুক, সাধারণের মধ্যে তাদের ভিত্তি ছিল

উপমহাদেশে বিখ্যাত ইসলাম প্রচারক সুফিসাধক হযরত বদীউদ্দীন শাহ-ই-মাদারের সিলসিলাভুক্ত ফকির হযরত শাহ সুলতান হাসান মুরিয়া বুরহানা (রা.)। তিনি ছিলেন মুঘলজাদা শাহ মুহাম্মদ শুজার পীর। ভারতবর্ষে ইসলামী সুফি সম্প্রদায়ভুক্ত ফকির-দরবেশদের মধ্যে যারা খান্দানি ফকির হিসেবে পরিচিত, তারা অনেকেই শাহ-ই-মাদারের সিলসিলার অনুসারী। আবার হাসান বুরহানা নামে জারি হওয়া সিলসিলা ‘বুরহানা’ খান্দান নামে পরিচিত। এ খানদানের ফকিরদের বেশভূষা-চালচলনের কারণেই এ নামকারণ। ফকির মজনু শাহ্ ছিলেন এ বুরহানা ফকির সম্প্রদায়ের নেতা। প্রধানত তার নেতৃত্বেই বিখ্যাত ‘ফকির-বিদ্রোহ’ সংগঠিত হয়। বাংলার এ ‘বিদ্রোহের’ বিস্তৃতি ছিল কোচবিহার পর্যন্ত। মজার ব্যাপার হলো ফকির মজনু শাহও এ অঞ্চলের মানুষ ছিলেন না।

ধারণা করা হয় সতের শতকের শেষ বা আঠার শতকের শুরুতে সুদূর পাঞ্জাব প্রদেশের আলোয়ার রাজ্যের মেওয়াত কিংবা কানপুরে তার জন্ম। তাকে সমাহিত করা হয় তার জন্মভূমি মেওয়াত জেলার ধুলী নদীর দক্ষিণ তীরে। সেখানে তাকে সুফিসাধকের মর্যাদায় সমাধিতে মাজার প্রতিষ্ঠার পর স্থানটি ফকিরি মতের অনুসারীদের তীর্থে পরিণত হয়েছে। ঠিক কখন মজনু শাহ বাংলায় এসেছিলেন ও কোম্পানি সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন তা স্পষ্ট বলা কঠিন। তবে ফকির হিসেবে প্রাচীন আউলিয়া-দরবেশদের দরগাহ জিয়ারতের জন্যই প্রথম এসেছিলেন তা ধারণা করা কঠিন নয়। বিশেষ করে মহাস্থানগড়ের শাহ সুলতানের দরগাহ্, পাণ্ডুয়ার শাহ সুফি সুলতানের দরগায় তিনি সমবেত হতেন। কিন্তু ব্রিটিশ কোম্পানি তাদের এ পরিভ্রমণের ওপর কর আরোপ ও কোনো কোনো এলাকায় ভ্রমণে বাধা দিলে প্রথম বিরোধ বাঁধে। বিরোধ তুঙ্গে উঠলে ব্রিটিশ কোম্পানি কর্মকর্তাদের কাছে তিনি ‘দস্যু’, ‘লুটেরা’ পরিণত হন। লুটের অনেক ঘটনাও আছে, তবে তা রবিনহুড কিসিমের ধনীদের সম্পদ কেড়ে দরিদ্রদের মাঝে বিলিয়ে দেয়ার রোমান্টিকতায় আচ্ছন্ন নয়। বরং নিজেদের বৈরাগ্য জিইয়ে রাখার জন্য ও জুলুমের প্রতিবাদের অংশ হিসেবে। তবে তাদের তত্পরতা খেয়াল করলে একটা পরিকল্পিত কর্মসূচি মনে হয়। যে কারণে ব্রিটিশরা যেভাবেই উল্লেখ করুক, সাধারণের মধ্যে তাদের ভিত্তি ছিল।

তাছাড়া ফকিররা কখনই ব্রিটিশ কোম্পানিকে দেশের শাসক হিসেবে মেনে নিতে পারেননি। যে কারণে ১৭৭১ সালে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট এলাকায় কোম্পানি সৈন্যদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধের পর মজনু শাহ এক চিঠিতে নাটোরের রানী ভবানীকে নালিশ করেন। ১৭৭২ সালের শুরুতে লেখা ওই চিঠিতে তিনি নালিশ করেন, অকারণে ব্রিটিশ কোম্পানি তাদের তীর্থযাত্রায় শুধু বাধাই দেয়নি, তার অনুসারী ১৫০ জন ফকিরকে ইতোমধ্যেই হত্যা করেছে। তিনি জানতে চান, এ হত্যা করে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ কী উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়?

শাহ এক চিঠিতে নাটোরের রানী ভবানীকে নালিশ করেন

শাহ এক চিঠিতে নাটোরের রানী ভবানীকে নালিশ করেন

আগেই উল্লেখ করেছি, বিহার-উড়িষ্যার সুবেদার শাহ শুজার পীর ফকির বুরহানার অনুসারী ছিলেন ফকির মজনু শাহ। পীর ফকির শাহ হাসান মুরিয়া বুরহানার সম্মানে ১৬৫৯ সালে শাহ শুজা যে সনদ দিয়েছিলেন তাকে প্রায় স্বাধীন নৃপতির মর্যাদা বলা যায়। বিরোধের শুরুটা এ মর্যাদা খর্ব হওয়ার মধ্যেই শুরু। সনদের মধ্যে ছিল বুরহানা নিজের বহর নিয়ে ঝাণ্ডা উড়িয়ে ইচ্ছেমতো যেখানে খুশি যেতে পারবেন, যে এলাকা দিয়ে তিনি যাবেন সেখানকার জমিদার-প্রজারা তার প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সরবরাহে বাধ্য থাকবেন, এমনকি তার ওপর কোনো প্রকার খাজনা ধার্য করা যাবে না। কিন্তু পলাশীর পর ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে ক্ষমতাচ্যুত নবাব মীর কাশিমকে পরাজিত করে মোগল সম্রাট শাহ আলমের কাছ থেকে ২৬ লাখ টাকার বিনিময়ে বিশাল ভারতবর্ষের কর্তৃত্ব নেয় ব্রিটিশ কোম্পানি। নতুন এ ব্যবস্থার নাম ‘দেওয়ানী’। কর্তৃত্ব নেয়ার পর আয় বৃদ্ধি করতে গিয়ে ফকিরদের স্বাধীনতায় তার হাত বসায়। ফলে বিরোধ অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। তাছাড়া মনে রাখা দরকার, বক্সারের যুদ্ধে কাশিমের পক্ষে ফকির-সন্ন্যাসীদের বিরাট অংশগ্রহণ ছিল। এক হিম্মতগীরের অধীনেই ছিলেন পাঁচ হাজার ফকির সেনা।

আগেই উল্লেখ করেছি ব্রিটিশদের রাজ ফকিররা মেনে নিতে পারেননি। ফলে তাদের ক্ষতি করা ও উচ্ছেদের জন্য ফকিরদের আক্রমণ ছিল সাধারণ ঘটনা। যে কারণে ১৭৬৩ সালে লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংসের এক পত্রে উল্লেখ আছে, বাখেরগঞ্জে (বর্তমান বরিশাল) এক দল ফকির তার ব্যক্তিগত প্রতিনিধি মি. কেলীর কার্যক্রমে উপদ্রব ও লুটপাট করে বিপন্ন করেছেন। একই বছর ঢাকার একটি ফ্যাক্টরি আক্রমণ ও দখলের খবর জানায় মি. ক্লাইভ। একই সময় রাজশাহীর হরের বিখ্যাত রামপুর-বোয়ালিয়ার ফ্যাক্টরি (অথবা বড় কুঠির) আক্রমণ হয়। তখন রাজশাহী ওই নামে চিহ্নিত হতো। মি. বেনেট ছিলেন, ওই কুঠির অধ্যক্ষ (ফ্যাক্টর)। ১৭৬৩ সালে আক্রমণের সময় তাকে আটক করে পাটনায় নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে তিনি নিহত হন। পরে ১৭৬৪ সালে ওই কুঠির আবার আক্রমণ করেন ফকির সেনারা। এতসব কার্যক্রম থেকে ভাববার যথেষ্ট কারণ আছে, ফকির মজনু শাহ -এর নেতৃত্বে ফকির সেনারা সুনির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি নিয়েই এগুচ্ছিল।

তবে সবচেয়ে বড় অভ্যুত্থান হয় ১৭৬৬ সালে কোচবিহারে। এটা বক্সারের যুদ্ধের মাত্র এক বছর পরের ঘটনা। কোচবিহারে তখনো স্বাধীনরাজ্যের স্বাদ অক্ষুণ্ন আছে। রাজ্যের শিশুরাজা নিহত হওয়ার পর উত্তরাধিকার নিয়ে বংশীয় ‘কুলপ্রথা’ ও ভুটান রাজার মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। এর নিকটবর্তী কুয়াশা এলাকার শস্যের ওপর নির্ভরশীল ইংরেজ শস্যবণিকরা প্রতিবারের মতো নিরাপদে রঙ্গপুরে (বর্তমান রংপুর) শস্য আনতে বিবদমান রাজাদের সঙ্গে লিঁয়াজো করছিল। শেষ পর্যন্ত সেখানে ইংরেজ শাসন কায়েম হয়। এর মধ্যে রাজ্যে নামে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ খ্যাত দুর্ভিক্ষ। তবে প্রজাদের মধ্যে ওই খাবার বিলিয়ে দিতে ক্ষমতাচ্যুত রাজদের পক্ষে আক্রমণ করেন ফকির-সন্ন্যাসী সেনারা। সে সময় ফকির-সন্ন্যাসীদের সঙ্গে নবাবের বাঙালি সিপাহীরাও বিদ্রোহ (পড়ুন: সংহতি) ঘোষণা করেছিল। সে হিসেবে সেটাই ইতিহাসে প্রথম সিপাহী অভ্যুত্থান হওয়ার কথা। যদিও ১৮৫৭ সালের ‘সিপাহী বিদ্রোহ’ই প্রথম অভ্যুত্থান হিসেবে পরিচিত। কোচবিহারের পরেই শুরু হয় ফকির মজনু শাহ ‘র ‘বিদ্রোহ’। ফলে ১৭৭১ সালে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট এলাকায় কোম্পানি সৈন্যদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধ তারই ফল।

আরও পড়ুন- দি সিটি অব আটলান্টিস : হারিয়ে যাওয়া এক সভ্যতার আদ্যোপান্ত

ফকির মজনু শাহ , ফকির সেনাদের তত্পরতায় বগুড়ার কড়াই গ্রামের জমিদার শ্রীকৃষ্ণ চৌধুরী মুমিনশাহীর (বর্তমান ময়মনসিংহ) গৌরিপুর, রামগোপালপুর ও কালীপুর এলাকায় আবাস গড়েছিলেন। একইভাবে তার সমসাময়িক জমিদার বগুড়ার টেপা ঝাকৈরের শ্রীকৃষ্ণ আচার্য পুরনো আবাস ত্যাগ করে ১৭৮০ সালের দিকে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় আশ্রয় গড়েন। জামালপুরেও যে ফকির-সন্ন্যাসীদের প্রভাব ছিল তা এর পূর্বনাম ‘সন্ন্যাসীগঞ্জ’ থেকেই আঁচ পাওয়া যায়।

শেষ দিকে অন্তত তিনটি উপদলে বিভক্ত হয়ে ফকির সেনাদের সশস্ত্র অভিযানের খবর পাওয়া যায়। ১৭৮৬ সালের দিকে মুমিনশাহী, দিনাজপুর ও রঙ্গপুরে তত্পরতার কথা জানা যায়। কোচবিহারের অন্তর্গত বৈকুণ্ঠপুরের উপকণ্ঠে কাসিমগঞ্জ এলাকা শাহ মুসা, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে হিন্দু সন্ন্যাসীরা ও রঙ্গপুরে কাজিরহাট এলাকায় ছিল অন্য একটি দল। ওই বছরে ৮-৯ জানুয়ারিতে ৮০০ ফকির সেনা রঙ্গপুরে লুট করেন, তারও আগে জলপাইগুড়ির (বর্তমান পঞ্চগড়) বোদা এলাকায় ৫০০ সেনা আক্রমণ করেন। তবে সেখানে ইংরেজ সৈন্য পৌঁছানোর আগেই তারা নেপালের গুর্খা রাজার সীমানায় পালিয়ে গিয়ে আত্মরক্ষা করেন। তবে আগস্টে দিনাজপুরের গিলাবাড়ি এলাকায় মজনুর দলের আগমন হয়। বগুড়ার শেলবর্ষের নিকট এলাকায় লেফটেন্যান্ট এইনসলির সৈন্যের সঙ্গে ফকির বাহিনীর ২ ঘণ্টা যুদ্ধে বিস্তর ক্ষয়ক্ষতির শিকার হন তারা।

১৭৮৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর তিনি ৫০০ সৈন্যসহ বগুড়া জেলা থেকে পূর্বদিকে যাত্রা করার পথে কালেশ্বর নামক স্থানে ইংরেজ বাহিনীর সম্মুখীন হন। এ যুদ্ধে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হলে তার অনুচরেরা রাজশাহী ও মালদহ জেলা অতিক্রম করে তাকে বিহারের সীমান্তে যান। তিনি সমাধিস্থ হন উত্তর ভারতের কানপুরের মাকানপুরে।

লেখক: গল্পকার ও সমালোচক
কৃতজ্ঞতা : সিল্করুট